প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত অন্তর্বর্তী সরকার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই নির্বাচন দেশের অন্যতম সেরা নির্বাচন হিসেবে বিবেচিত হবে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রেস সচিব বলেন, এ নির্বাচন শুধু একটি সংসদ নির্বাচন নয়, বরং এক অর্থে এটি গণভোটের অংশ—যেখানে চলমান সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হবে। এ কারণে ভোটার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হবে বলে সরকার আশাবাদী।
ভোটার সচেতনতার বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন এবং ভোট ও সংস্কার সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়মিত তথ্য পাচ্ছেন। পাশাপাশি দেশের সাক্ষরতার হার এখন প্রায় ৮০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ১৯৭৭ সালের প্রথম গণভোটের সময় ছিল মাত্র ২৭ শতাংশ।
শফিকুল আলম জানান, নির্বাচনের আর মাত্র ৪১ দিন বাকি রয়েছে। এ সময়ে ভোটার সচেতনতা বাড়াতে সরকারের উদ্যোগ চলমান রয়েছে। ভোটের গাড়ি দেশের ৬৪ জেলা ও ৩০০ উপজেলায় ঘুরবে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।
ভোটার উপস্থিতির হার নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব না হলেও সরকার সন্তোষজনক উপস্থিতি প্রত্যাশা করছে বলে জানান প্রেস সচিব। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চালু হওয়া পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থায় ইতোমধ্যে প্রায় ৭ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি নিবন্ধন করেছেন।
এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক পর্যায়েও আগ্রহ তৈরি করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নেপালসহ কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। ভবিষ্যতে এটি একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

