আজ ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, যখন বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকের পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞে পাকিস্তানি হানাদাররা দেশের শতাধিক বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও পেশাজীবীকে হত্যা করে। এই ত্যাগের মাধ্যমে তারা জাতিকে অশিক্ষিত ও নেতাহীন করার চেষ্টা করেছিল।
রাজধানী ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে। ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর স্থানে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা অর্পণ, জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। সরকারী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ সকলে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিতে স্মরণ করবে।
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে আয়োজন করা হয়েছে আলোচনা সভা, শোকসভা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের অবদান চিরস্মরণীয় করার উদ্যোগ। দেশের মুক্তি সংগ্রামে তাদের আত্মত্যাগ আমাদের জাতীয় গৌরব এবং স্বাধীনতার চেতনাকে আজও প্রেরণা জোগায়।
আজকের এই দিনে জাতি আবারও প্রতিজ্ঞা করে, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ ভুলবে না এবং তাদের আদর্শ অনুসরণ করে দেশকে শিক্ষিত, উন্নত ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

