৮০০
ঢাকাবৃহস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. শিক্ষা
  2. সারাদেশ
  3. আমাদের সম্পর্কে
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আইনের সংঘাতে আসা শিশুদের পুনর্বাসনে যুগোপযোগী পরিকল্পনা জরুরি — গাজীপুর সেমিনারে বিশেষজ্ঞদের মত

দেশ-দর্পণ
নভেম্বর ১৩, ২০২৫ ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
শেয়ার:
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক | গাজীপুর, ১২ নভেম্বর ২০২৫:
আইনের সংঘাতে আসা শিশুদের সংশোধন, শিক্ষা, পুনর্বাসন ও সামাজিক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন তিনটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র কাজ করছে দীর্ঘদিন ধরে। কিন্তু এই কেন্দ্রগুলোতে জনবসতি, অবকাঠামো ও সেবার সীমাবদ্ধতা ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিশু নিবাসীর অবস্থান রয়েছে গাজীপুরের টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালক শাখায়)। ৩০০ জনের ধারণক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে এখানে অবস্থান করছে ৭৫০ জনেরও বেশি শিশু নিবাসী। ফলে সেবার ন্যূনতম মানদণ্ড নিশ্চিত করাই হয়ে পড়েছে কঠিন। একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে যশোরের পুলেরহাট কেন্দ্রেও।

🔹 সেবার মানোন্নয়নে যুগোপযোগী অ্যাকশন প্ল্যান প্রয়োজন

‘শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের নিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবার মানোন্নয়ন’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা বলেন, শিশু নিবাসীদের জন্য আবাসন, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, আইনি সহায়তা এবং মানসিক পরামর্শ (সাইকোসোস্যাল কাউন্সেলিং) সহজলভ্য করতে এখনই যুগোপযোগী অ্যাকশন প্ল্যান নেওয়া জরুরি।

সেমিনারটি আয়োজন করে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালক), টঙ্গী, গাজীপুর।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাইদুর রহমান খান।

🔹 “সাইকোসোস্যাল কাউন্সেলিং সমাজসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ”

মহাপরিচালক সাইদুর রহমান খান বলেন,

> “শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রগুলো শুধুমাত্র সংশোধনাগার নয়, বরং এগুলো শিশুদের জীবনে নতুন সূচনা দেওয়ার একটি প্ল্যাটফর্ম। তাদের মানসিক বিকাশ, শিক্ষা ও পুনর্বাসনের দিকগুলোতে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া জরুরি।”

 

তিনি সাইকোসোস্যাল কাউন্সেলিং কার্যক্রমকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মূল কার্যক্রম হিসেবে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান এবং বলেন, পেশাদার সমাজকর্মীদের স্বীকৃতি দিতে অ্যাক্রিডিটেশন বডি গঠন সময়ের দাবি।

🔹 বিশেষ অতিথি ও উপস্থাপনা

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ আবদুল হামিদ মিয়া।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (প্রতিষ্ঠান) সমীর মল্লিক।

‘আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠানভিত্তিক যত্ন ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ: এসইউকে টঙ্গীর একটি কেস স্টাডি’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক মো. এমরান খান।

🔹 প্রেক্ষাপট

বর্তমানে দেশের তিনটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে (টঙ্গী, যশোর ও কুমিল্লা) মিলিয়ে প্রায় ১,২০০–এর বেশি শিশু অবস্থান করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু অপরাধ প্রতিরোধে শুধু শাস্তি নয়, বরং পুনর্বাসন, প্রশিক্ষণ ও সামাজিক পুনঃএকীকরণে গুরুত্ব দিতে হবে।

গাজীপুরের টঙ্গী কেন্দ্রটি দেশের বৃহত্তম শিশু উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত, যা বহু বছর ধরে আইনগত জটিলতায় জড়িত শিশুদের সংশোধন, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছে।

দেশ-দর্পণ (Desh-Darpon) একটি স্বাধীন অনলাইন নিউজ মিডিয়া। আমরা নিজেরা নিউজ তৈরি করি এবং পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য নিউজ মিডিয়া ও তথ্যসূত্র থেকে সংগৃহীত খবর যথাযথ উৎস উল্লেখ করে প্রচার করি। এই সাইটে প্রকাশিত সব সংবাদ, তথ্য, ছবি ও ভিডিও © দেশ-দর্পণ দ্বারা রক্ষিত। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ব্যতীত এই সাইটের কনটেন্ট অংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ব্যবহার, পুনঃপ্রকাশ বা বিতরণ করতে পারবে না। যদি আপনার কাছে এই সাইটের কোন নিউজ বা তথ্য নিয়ে অভিযোগ, সংশোধনী বা অন্যান্য প্রস্তাব থাকে, অনুগ্রহ করে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন।