ঢাকা, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:
সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন। ইতোমধ্যে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরা শপথ নিয়েছেন। এখন সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি ও মনোনয়ন প্রক্রিয়া।
নির্বাচনী হিসাব অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের অধিকাংশই পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নাম ঘোষণা করেনি দলটি।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,
“সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে সংসদে।”
তিনি আরও জানান, প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং দলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া হবে। যারা দীর্ঘদিন ধরে দলের সঙ্গে যুক্ত আছেন এবং সাংগঠনিকভাবে সক্রিয়, তারাই প্রাধান্য পাবেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের কিছু নির্ধারিত নিয়মকানুন রয়েছে। কোথাও মেয়াদ শেষ হয়েছে, কোথাও শেষের পথে। সব বিষয় সমন্বয় করে যথাসময়ে নির্বাচন আয়োজন করা হবে এবং এই নির্বাচনকে গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর কার্যালয় খোলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,
“এটা আমরা চাইনি। যেহেতু আইনগতভাবে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সেভাবেই বিষয়টি দেখা হবে।”
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন ও মনোনয়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল বাড়ছে। সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা ও সংসদীয় সিদ্ধান্তের দিকে এখন তাকিয়ে রয়েছে দেশবাসী।