নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভোটার নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ভোটার হওয়ার প্রক্রিয়া শেষ করেছেন তাঁর কন্যা জাইমা রহমান। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মা জুবাইদা রহমানের সঙ্গে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রবেশ করেন।
নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী জাইমা রহমান ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ, স্বাক্ষর প্রদান এবং আইরিশের প্রতিচ্ছবি (চোখের মনির স্ক্যানিং)সহ সম্পূর্ণ বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
এর আগে গত ২৩ জুন জাতীয় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন জুবাইদা রহমান। ফলে তিনি ইতোমধ্যে তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেয়েছেন।
এদিকে একই দিনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ করেন। তাঁদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অনুমোদন বিষয়ে রোববার নির্বাচন কমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।
শনিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “রোববার কমিশনের সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি চূড়ান্ত হবে।”
ইসি সচিব জানান, তারেক রহমান ও তাঁর কন্যা জাইমা রহমান শনিবার ভোটার নিবন্ধন ফর্ম জমা দিয়ে নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ করেছেন। ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯-এর ১৫ ধারার অধীনে কমিশনের এখতিয়ার রয়েছে যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক ও যোগ্য নাগরিককে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার।
তিনি আরও জানান, তাঁরা ঢাকা–১৭ সংসদীয় আসনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। ‘ফর্ম–২’ পূরণ করে ছবি তোলা, বায়োমেট্রিক ও আইরিশ তথ্য প্রদানসহ ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করেন তাঁরা।
তারেক রহমানের এনআইডি নম্বর পাওয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, “নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও তথ্য আপলোড করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, স্বাক্ষর, ফেস ও আইরিশ যাচাই করতে কিছুটা সময় লাগে। যাচাই শেষে নিশ্চিত হলে তাঁদের এনআইডি নম্বর দেওয়া হবে। আশা করছি আজকের মধ্যেই এটি সম্পন্ন হবে।”
ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত কবে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া। তবে বিষয়টি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত রোববার কমিশনে উপস্থাপন করা হবে।”
ইসি সচিব আরও জানান, কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় দুটি উপায়ে—একটি আনুষ্ঠানিক সভার মাধ্যমে এবং অন্যটি নথির মাধ্যমে। কমিশন চাইলে যেকোনো উপায়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, এটি সম্পূর্ণ কমিশনের এখতিয়ার।